এঁটো বাগান!
এঁটো বাগান! - বিকেলে ছাদে বসে প্রাকৃতিক শোভা দেখা রাজার বহুদিনের শখ। দিনশেষে একাজটা না করতে পারলে মনে হয় যেন দিনটাই মাটি হয়ে গেল। যত ব্যস্ততাই থাকুক, একবার ছাদে বসা চাই-ই চাই! মাঝেমধ্যে বেগমও সাথে থাকেন। আবার কখনো চাটুকার-মোসায়েবও থাকে। গযল-সংগীতও শোনেন কখনও। কবিতা পাঠের আসর থাকে। একাকী থাকাও হয়। যেমন আজ! কারো সঙ্গ ভাল লাগছে না। চুপচাপ রাজ্যের ভবিষ্যত নিয়ে ভেবে চলছেন।চোখ গেল অদূরে পর্দাঢাকা এক ছাদে। বাতাসে পর্দাটা সরে গেল। বিদ্যুত চমকের মতো এক অনিন্দ্য সুন্দর নারীর মুখ ভেসে উঠেই আবার আড়াল হয়ে গেল। রাজা স্তব্ধ! এ কী দেখলাম! আহা কী দেখিলাম! মানুষ? জ্বিন? পরী? জান্নাতী হুর? . হাতে তালি বাজালেন। খাস বেয়ারা ছুটে এল: -আমরান ইয়া মাওলায়া! হুকুম করতে আজ্ঞা হোক মহারাজ! -ওই যে পর্দাঢাকা ছাদ দেখা যাচ্ছে, ওটা কার বাড়ি? -ওটা তো হুজুরের খাস কলমচির! -ঠিক আছে তুমি যাও! . একটু পর আর ধৈর্য রাখতে পারলেন না। গোয়েন্দা প্রধানকে ডেকে পাঠালেন। কলমচির ঘরে কে কে থাকে খোঁজ নিলেন। জানতে পারলেন নতুন বিয়ে করেছে সে। এখনো ছেলেপিলে হয়নি। না, আর কেউ থাকে না। নববধূকে নিয়ে কলমচি একাই থাকে। এবার কলমচির ডাক পড়ল...